৩০ কোটির কম মূলধনী কোম্পানির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী

0
20
৩০ কোটির কম মূলধনী কোম্পানির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী

গৃহকোণ অর্থনীতি ডেস্ক: নূন্যতম পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করার আদেশের প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের তুলনায় কম, সেগুলোর শেয়ারের ব্যাপক দরবৃদ্ধি দিয়ে গত রোববার দিনের লেনদেন শুরু হয়েছিল। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এমন শেয়ারগুলোকে দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকতে দেখা গেছে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নূন্যতম মূলধনের শর্ত পরিপালনে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে আগামী ছয় থেকে ১২ মাস সময় দিয়ে চিঠি ইস্যু করেছে। এর প্রভাবে মূল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর বেশ দরবৃদ্ধি পেলেও বিপরীতে অবস্থা দেখা যাচ্ছে অন্য শেয়ারে। বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাংক, বীমা, প্রকৌশলসহ বড় সব খাতের বেশিরভাগ শেয়ারকে দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এ সময় ১৬৯ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৪৩টি এবং দর অপরিবর্তিত অবস্থায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে ৬২ শেয়ারকে। প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স-এ সময় ২ পয়েন্ট বেড়ে এ সময় ৬৯৮৭ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এ সময় পর্যন্ত এ বাজারে ৩৬৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। যদিও গত রোববার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় শেয়ারবাজারের সপ্তাহের লেনদেন শুরু হয়েছিল। কিন্তু তা স্থায়ী ছিল মাত্র ৫ মিনিট। লেনদেনের সময় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারদর ও সূচক নিম্নমুখী হতে দেখা যায়। এ সময় ৩০ কোটি টাকার কম মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম ৯ কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকারের নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হচ্ছিল। শেয়ারগুলো হলো- এমবি ফার্মা, আরামিট লিমিটেড, বিডি ল্যাম্পস, ইস্টার্ন ল্যুব্রিক্টেস, লিবরা ইনফিউশনস, ফার্মা এইডস, রহিম টেপটাইল এবং রেকিট বেনকিজার। অবশ্য লেনদেনের শুরুতে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হওয়া শেয়ার ছিল ৪০টিরও অধিক।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন