বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

0
88
বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আপডেট »১৩≈ অক্টোবর ≈ ২০২০

গৃহকোণ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন, বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ যে কোনও সমস্যার সমাধান সহজতর হয়। একুশ বছর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের যে কৃত্রিম দেয়াল ছিল তা এখন আর নেই। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন দুই প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। তিস্তার পানিবণ্টনসহ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়টির সম্মানজনক সমাধানে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। ইতোমধ্যে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যা ও ছিটমহল বিনিময়ের মতো সমস্যাও সমাধান হয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় অফুরন্ত অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এগিয়ে নিতে উভয় দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। দুই দেশের রাজনৈতিক দলের মাঝে সংযোগ বাড়াতে ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপি’র একটি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ধরনের সফর দুই দেশের জনগণের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে ইতিবাচক ভ‚মিকা রাখবে। ভারতের নতুন হাইকমিশনারে সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক। তিস্তার পানি বণ্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু জানিয়ে তিনি আমাদের বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অত্যন্ত আন্তরিক এবং তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দু’দেশ আলোচনা মাধ্যমে সম্মানজনক সমাধানে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। ইতোমধ্যে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে ভারতের ঋণ সহায়তায় বেশ কিছু প্রকল্পপের কাজ চলছে, এসব বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। যেখানে যেখানে সমস্যা আছে সেটা সমাধানের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। দু’দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে ভারতীয় জনতা পার্টি- বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে কাদের বলেন, এ ধরনের সফর দু’দেশের জনগণের বিদ্যমান সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে ইতিবাচক ভ‚মিকা রাখবে। ভারতের সঙ্গে ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ ব্যাপারে ইতিবাচক অগ্রগতি আছে, এ মুহূর্তে চালু হচ্ছে সেটা বলা যাবে না। এ নিয়ে ভারতের নতুন হাইকমিশনার বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া চালু করেছি। সমস্ত ভিসা বিভাগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমি সব ধরনের ভিসা চালুর জন্য চেষ্টা করছি। মহামারির কারণে ট্যুরিস্ট ভিসা চালুতে আরো বেশি সময় লাগবে। এয়ার বাবল চালুর বিষয়ে আমরা এখানে আমাদের পার্টনারের কাছ থেকে চ‚ড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছি। মন্ত্রী বলেন, একুশ বছর দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের যে কৃত্রিম দেওয়াল ছিল তা এখন আর নেই। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন দুই প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। ইতোমধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যা ও ছিটমহল বিনিময়ের মতো সমস্যাও সমাধান হয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় অফুরন্ত অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এগিয়ে নিতে উভয় দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বিআরটিসির জন্য ৯৮৮টি বাস এবং ৫শ ট্রাক সংগ্রহ করা হয়েছে। সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হচ্ছে। আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে সরাইল-ধরখার হয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলেছে।
ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদÐ নিশ্চিত করা হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি থাকবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদÐের বিধান রেখে আইন সংশোধন করা হয়েছে মন্ত্রিসভায়- এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই উদ্যোগ নিয়েছেন, এটা সর্বোচ্চ শাস্তি। আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী মানুষের চোখের ভাষা, মনের ভাষা ভালো বোঝেন। এটা আজ জনদাবিতে পরিণত হয়েছে। কাজেই আমরা অবশ্যই স্বীকৃতি দেব। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হলে এদের মধ্যে একটা ভীতিও থাকতে পারে। বিষয়টি যেভাবে বাড়ছে। সহিংসতা ও ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে এ ধরনের কঠোর আইন প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন