বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

0
69
বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট »০৫ ≈ সেপ্টেম্বর ≈ ২০২০

গৃহকোণ প্রতিবেদক: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা দিয়েছেন। উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার জন্য স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। আর এজন্যই পরাজিত শক্তিরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধু এদেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মুজিববর্ষে শতঘণ্টা মুজিবচর্চা কর্মসূচিতে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টায় ‘বঞ্চিত মানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মেহেরপুর জেলা প্রশাসন মুজিববর্ষে শতঘণ্টা মুজিবচর্চা শিরোনামে মাসব্যাপী অনলাইন (ভার্চ্যুয়াল) আলোচনা সভার আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তারা হত্যা করেছিল মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। দেশকে বানিয়েছিল পাকিস্তানমুখী। আর মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধই ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মম হত্যাকাÐ। বঙ্গবন্ধু হত্যাই ছিল বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি। তিনি বলেন, মেজর জিয়া ছিলেন পাকিস্তানের গুপ্তচর, বিশ্বাসঘাতক। তাদের ছক মতোই বঙ্গবন্ধু ও দেশের চার নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের হাজারো মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে রাজাকার আলবদর ও স্বাধীনতা বিরোধীদের পূর্ণবাসন করেন। মন্ত্রীত্ব দিয়ে তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন জাতীয় পতাকা। আর ঘাতকদের বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত বানিয়ে পদোন্নতি দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর নামটা পর্যন্ত মানুষকে মুখে নিতে দেয়নি। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে ও কমনওয়েলথ সম্মেলনে বাংলাতে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বকে উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার সেই ভাষণ বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে প্রতিধ্বনি হচ্ছে। তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ শুধু একটি ভাষণ ছিল না। এটিই ছিল বাংলাদেশের একটি মূল দলিল। এ ভাষণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, মৌলিক অধিকার, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসাসহ সব অধিকারের কথা নিহীত ছিল। বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ সব ধ্বংস করে দেশকে পাকিস্তানের অঙ্গ বানানোর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, জজকোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট পল্লব ভট্টাচার্য, আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম শাহিন, মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন