বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোনসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার

0
99
বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোনসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার

আপডেট » ১৮ ≈ সেপ্টেম্বর ≈ ২০২০

গৃহকোণ প্রতিবেদক: মোবাইলফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) পরিবর্তন করার ডিভাইস ও বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইলফোনসহ সংঘবদ্ধ চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতাররা হলেন- মুরাদ খান (২৩), লাভলু হাসান (২০), আল-আমিন ওরফে অনিক (২২), বশির আলম শুভ (৩০) আবদুল মালেক (৩২), মো. তামিম (২০), শাহ আলম (৩৬), স্বপন (৩৪), জাহাঙ্গীর আলম (২৬), ইমাম হাসান (২২), মো. আরিফ (৩৪) ও আল আমিন (২০)। গত বুধবার সিআইডি ঢাকা মেট্রো পূর্বের একটি টিম চোরাই মোবাইলফোন কিনে বিভিন্ন ডিভাইস ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করে মার্কেটে বিক্রয়কারী চক্রের ওই ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করে। সিআইডি বলছে, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মহানগর এলাকায় মোবাইল চোরচক্রের কাছ থেকে স্বল্প দামে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ক্রয় করে আইএমইআই পরিবর্তন করার ডিভাইস ব্যবহার করে সমাজের ক্ষতি করে আসছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অ্যাডিশনাল ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন অপরাধী হত্যাসহ ছিনতাই, ডাকাতি করে মোবাইল নিয়ে গেলেও পূর্বে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহজেই অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারতো। কিন্তু সংঘবদ্ধ এই চক্রটি মোবাইলফোনের আইএমইআই পরিবর্তন করার কারণে চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদ্ঘাটনসহ প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বলেন, ‘গ্রেফতার মুরাদ খান ও লাভলু হাসান শহরের বিভিন্ন চোরের কাছ থেকে চোরাই মোবাইলফোন কিনে তার লক খোলা এবং মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করার জন্য অনিক, বশির ও মীম টেলিকমের মালিক আবদুল মালেকের কাছে দিতেন। অনিক, বশির ও মালেক ত৩ী ডিভাইস ব্যবহার করে মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করতো। এরপর সুনির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে নির্ধারিত মূল্যের কম মূল্যে মোবাইলগুলো বিক্রি করতো। চোরাই ও আইএমইআই পরিবর্তন করা ২৬৫টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল, আইএমইআই পরিবর্তন করার ত৩ী নামক ৯টি ডিভাইস উদ্ধার করা হয় তাদের কাছ থেকে। চক্রের সদস্যরা এ ডিভাইসগুলো গুলিস্তানের পাতাল মার্কেটের মাসুদ টেলিকম ও কবির টেলিকম থেকে কেনেন। সিআইডির এ কর্মকর্তা আরও জানান, ডিভাইসগুলো চায়না থেকে আনা। মাসুদ এবং কবির টেলিকম অবৈধভাবে ডিভাইসগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলমান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন