পূজার আনন্দ কমে গিয়েছে: চঞ্চল চৌধুরী

0
90
পূজার আনন্দ কমে গিয়েছে: চঞ্চল চৌধুরী

আপডেট »২৪≈ অক্টোবর ≈ ২০২০
গৃহকোণ বিনোদন ডেস্কঃ বছর ঘুরে মর্ত্যলোকে পড়েছে মায়ের পা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের থাকে নানা পরিকল্পনা। কিন্তু মহামারি করোনার কারণে এবারের চিত্র ভিন্ন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংবাদমাধ্যেমের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এ অভিনেতা বলেন, ‘করোনার যে পরিস্থিতি এবং আমার যে বয়স, সেখান থেকে পূজা নিয়ে প্রশ্ন করলে আমি খুব বিব্রত বোধ করি। কোন মÐপে যাবো কিংবা পূজা নিয়ে পরিকল্পনা কী?Ñ আমার বয়স ও অবস্থানের সঙ্গে এসব প্রশ্ন এখন উপযুক্ত নয়।’ তবে কী পূজাকে ঘিরে চঞ্চল চৌধুরীর আনন্দ হারিয়ে গিয়েছে? প্রশ্নের উত্তরে এই শিল্পী বলেন, ‘তরুণ-তরুণী বা ছোটরা এই উৎসবে খুব আনন্দ করবে। তাদের উপভোগ করার সময়। যে উৎসবে বাড়িতে গেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হবে, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের আরো লোকজনের সঙ্গে একত্র হতে পারবো, সেটা আমার উৎসব। পূজার চেয়ে এই উৎসবটা আমার কাছে বেশি বড়। বাবা-মায়ের কাছে বছরে একবার যাই, চার-পাঁচদিন বাড়িতে থাকি। সবার সঙ্গে আনন্দ-ফুর্তি করিÑ এটাই হচ্ছে আমার সবচেয়ে বড় উৎসব। তবে আমার এই উৎসবটা পূজাকে কেন্দ্র করেই হয়! পূজাকে ঘিরে সবার মতো চঞ্চল চৌধুরীরও শৈশবের মধুর স্মৃতি রয়েছে। কিন্তু বয়সের সঙ্গে বেড়েছে তার ব্যস্ততা আর ভাবনার গভীরতা। অনুভ‚তিতে যুক্ত হয়েছে বিচিত্র পালক। এ কারণে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে নারাজ এই অভিনেতা। তবে তিনি মনে করেন, ছোটবেলার পূজার আনন্দ ঢের বেশি ছিল, যা এখন শুধুই দায়বোধে বাঁধা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে চঞ্চল বলেন, ‘ছোটবেলার পূজা অনেক ভালো কেটেছে। এখন কাঁধে অনেক দায়িত্ব। কিন্তু তখন সময়টা শুধুই উপভোগ করতাম। শৈশবে বড়রা আমাকে সাপোর্ট দিতেন আর আমি উৎসবটা উপভোগ করতাম। কারণ আমার কোনো দায়-দায়িত্ব ছিল না। সুতরাং খুব আনন্দ করতাম। এখন কাঁধে দায়িত্ব পড়ার কারণে সেই আনন্দটা কমে গিয়েছে।’ চঞ্চল চৌধুরীর বাড়ি পাবনায়। পূজা উপলক্ষে পরিবার নিয়ে এবারো বাড়ি যাবেন। বরাবরই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে এই অভিনেতার পারিবারিক আয়োজন থাকে। কিন্তু করোনার কারণে এবার ঘটা করে কোনো আয়োজন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন