ইতিহাসের এই দিনে

0
75
ইতিহাসের এই দিনে আজ (শুক্রবার) ০৫ জুন’২০২০

আজ শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০ সাল

(বিশ্ব খাদ্য দিবস)
প্রতিবছর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ১৬ অক্টোবর গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয় বিশ্ব খাদ্য দিবস। জাতিসংঘের ঋড়ড়ফ ধহফ অমৎরপঁষঃঁৎধষ ঙৎমধহরুধঃরড়হ (ঋঅঙ) এর উদ্যোগে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ঋঅঙ)র জন্মও হয় ১৯৪৫ সালের এই দিনে। ১৯৭৯ সালে এ দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিবছর বিভিন্ন প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি পালিত হচ্ছে ।
খাদ্য মানুষের প্রথম ও প্রধান মৌলিক অধিকার। খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পৃথিবী আজ পূর্ণমাত্রায় সচেতন। সবার জন্য খাদ্যের নিশ্চয়তার জন্য প্রথমেই আসে খাদ্য নিরাপত্তার কথা। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রথম দায়িত্ব। এজন্য যেমন প্রয়োজন খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা টেকসই রাখা, তেমনি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও পর্যাপ্ত ভ‚মিকা পালনে এগিয়ে আসা। উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ফলে কৃষি জমি হ্রাস পাচ্ছে। আবার দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদন মাত্রাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। সুতরাং সীমিত জমিতে ফলন বাড়ানো এবং এই ধারা অব্যাহত রাখা যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি ফসল উৎপাদন কার্যক্রমে পরিবেশ সংরক্ষণ। খাদ্য নিরাপত্তায় পুষ্টি ঘাটতি পূরণ অন্যতম প্রধান শর্ত। এই শর্ত পূরণে মৎস্য ও পশুসম্পদ এর প্রতিও যতœবান থাকা আবশ্যক। এসব বিষয়াবলীর প্রতি চাই মানুষের আন্তরিক সচেতনতা। আর এই গণসচেতনতা সৃষ্টিই বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের লক্ষ্য। ফাও এর প্রতিষ্ঠার দিনটি জাতিসংঘ তথা বিশ্ববাসীর জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হলো জীবনযাত্রার মান এবং পুষ্টির মাত্রা বৃদ্ধি, সমবায়, খামার, বন ও মৎস্য খামারে উৎপাদিত সকল খাদ্য ও কৃষি বস্তুর উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ এবং বণ্টন উন্নত করা, পল্লী উন্নয়ন, গ্রামীণ জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং এসব উপায়ের দ্বারা ক্ষুধা দূর করা। এসব লক্ষ্য নিয়ে ফাও উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষি, উন্নত মাটি ও মাটি ব্যবস্থাপনা, ফসল ও পশু সম্পর্কিত উন্নয়ন, প্রযুক্তি আদান প্রদান এবং কৃষি গবেষণা কাজে সহায়তা করছে। পুষ্টি ও কৃষি প্রকৌশল, ভ‚মি সংস্কার, উন্নত যোগাযোগ, প্রাকৃতিক সম্পদের বিকাশ এবং খাদ্য অপচয় রোধেও ফাও কারিগরী সাহায্য দিচ্ছে । জাতিসংঘের সঙ্গে একত্রে ফাও এর রয়েছে এক বিশাল কর্মকাÐ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৭৪টি সদস্য দেশের মধ্যে ১০০টিরও বেশি দেশে ফাও এর প্রতিনিধিত্ব অফিস আছে। আছে ৫টি আঞ্চলিক ও ৫টি আধাআঞ্চলিক অফিস। ফাও মূলত একটি উন্নয়ন সংস্থা যা সদস্য দেশসমূহকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ এবং উন্নয়ন সম্পর্কে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে থাকে। সদস্য দেশসমূহের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য ফাও একটি কার্যকর ফোরম হিসেবে কাজ করে। দুই দশকের অধিক সময় ধরে ফাও বাংলাদেশে তার কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ফাও এর সদস্যভুক্ত
হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফাও বাংলাদেশে তার উন্নয়নের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে। ১৯৭৮ সালে ফাও বাংলাদেশে তার প্রতিনিধিত্ব অফিস স্থাপন করে। বাংলাদেশে ফাও এর বর্তমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে থানা ভিত্তিক উন্নত খাদ্য উৎপাদন প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সনাক্তকরণ, জাতীয় কৃষি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের ভিত্তি হিসেবে কৃষি পরিবেশ জোন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শক্তিশালীকরণ, সমন্বিত শস্য বালাই কার্যক্রম, শস্য বীজ ও ফল উৎপাদন বৃদ্ধি, আভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক মৎস আহরণ ও উন্নয়ন, পশু সম্পদ, বন ও পরিবেশ উন্নয়ন। এছাড়া ফাও সাহায্যপুষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্ত এর মধ্যে রয়েছে ডাল ও মোটা দান র্জাতিক প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশগ্রহণ করছে। এর মধে রয়েছে ডাল ও মোটাদানাদার জাতীয় খাদ্যশস্য, পাট ও কেনাফ বীজ উন্নয়ন, উন্নতমানের পাট পচনো প্রযুক্তি, মৎস উন্নয়ন ও সংরক্ষণ সম্পর্কীয় প্রযুক্তি, বঙ্গোপসাগর উপক‚লীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবী স¤প্রদায়ের উন্নয়ন সম্পর্কীয় বিভিন্ন প্রকল্প এবং ফাও এর নীতি প্রতিফলিত। বিশ্ব খাদ্য দিবসেও একই অনুপ্রেরণায় সচেতন হয় মানুষ। যার প্রধান আদর্শ খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন ।

আজ ১৬ অক্টোবর কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জন্মবার্ষিকী। সত্তরের দশকের অন্যতমপ্রতিনিধি এই কবি পাঠকের কাছে পরিচিত তারণ্য ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ১৯৫৬ সালে বাবার কর্মস্থল বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু হয় স্কুল থেকেই। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক এই কবি আন্দোলনের অংশ হিসেবেই গড়ে তোলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

১৮১৫ খ্রীষ্টাব্দের এ দিনে আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে ফ্রান্সের পরাজিত স¤্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাসন শুরু হয়। তিনি যুদ্ধের মাধ্যমে প্রথমে ইউরোপের অধিকাংশ এলাকা নিজের নিয়ন্ত্রণে আসতে সক্ষম হলেও ১৮১৫ সালের ১৮ই জুন ওয়াটারলুতে বৃটিশদের কাছে পরাজিত হন। নেপোলিয়ন তাঁর জীবনের বাকী ছয় বছর ব্রিটিশদের তত্ত¡াবধানে সেন্ট হেলেনা দ্বীপেই কাটান। ১৮২১ সালের মে মাসে তার মৃত্যু হয়।

১৯৪৬ সালের এদিন জার্মানির নুরেনবার্গ আদালতের রায়ের ভিত্তিতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৯ জন নাৎসী নেতার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফার্সি কার্যকর করার কয়েক ঘন্টা আগে জার্মানির সাবেক বিমান বাহিনীর প্রধান ও হিটলারের সহযোগী হরম্যান গুরিংগ আত্মহত্যা করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদের নিয়ে নুরেনবার্গ আদালত গঠিত হয়েছিল এবং এই আদালত ১৯৪৬ সালের ৩০ শে সেপ্টেম্বর থেকে ২২ জন নাৎসী নেতার বিচার কাজ শুরু করেছিল।

ফার্সি ১৩৬৫ সালের এ দিনে ইরানের সমকালীন গবেষক ও অনুবাদক হোসেন খাদিভ জাম ৫৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। উচ্চ শিক্ষা অর্জনের পর তিনি কিছু দিন মাশহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং পরে তেহরানে এসেও শিক্ষকতা পেশা অব্যাহত রাখেন। তিনি গবেষণা বিষয়ে বেশ কিছু বই অনুবাদ করেছেন। ফার্সিতে ইমাম গাজ্জালির কিমিয়ায়ে সায়াদাত বইটির অনুবাদও করেছেন এই গবেষক।

ফার্সি ১৩৬৮ সালের এই দিনে ইরানের বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ মোর্তজা হান্নানে মৃত্যুবরণ করেন। তেহরানের সিম্ফোনিক অর্কেস্ট্রার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হলেন মোর্তজা হান্নান। তিনি চলচ্চিত্রের জন্য বহু গান লিখেছেন।

৯২০ বছর আগের এদিনে আরব ঐতিহাসিক,মোহাদ্দেস ও ফকিহ ইবনে আরযাক ফারেকি জন্ম গ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকেই ফিকাহ শাস্ত্র, হাদিস, কোরানের তাফসির ও ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। তবে ইতিহাসের প্রতিই তার ঝোক ছিল বেশী। তার লেখা একটি বিখ্যাত বই হচ্ছে তারিখুল ফারেকি। জনাব ফারেকি বিভিন্ন সমাজের ইতিহাস,রীতি নীতি ও সংস্কৃতি সম্পর্কে বিশদ ভাবে জানার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা সফর করতেন। এভাবে তিনি বহু দেশ ও অঞ্চল সফর করেন। তার লেখা তারিখুল ফারেকিতে সে সময়কার সমাজিক,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে।

১৬০৫ সালের এ দিনে মোঘল স¤্রাট আকবর ইন্তেকাল করেন। তিনি মুঘল সা¤্রাজ্যের তৃতীয় স¤্রাট ছিলেন। পিতা স¤্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে আকবর ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেণ। [বৈরাম খানের তত্ত¡াবধানে তিনি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার সা¤্রাজ্য বিস্তার করতে থাকেন। ১৫৬০ সালে বৈরাম খানকে সরিয়ে আকবর নিজে সকল ক্ষমতা দখল করেণ। কিন্তু আকবর ভারতবর্ষ ও আফগানিস্তানে তার সা¤্রাজ্য বিস্তার চালিয়ে যান। ১৬০৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় সমস্ত উত্তর ভারত তার সা¤্রাজ্যের অধীনে চলে আসে। আকবরের মৃত্যুর পর তার পুত্র স¤্রাট জাহাঙ্গীর ভারত বর্ষের শাসনভার গ্রহণ করেন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস। ১৯৪৫ সালের এ দিনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ফাও প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকেই দিনটি বিশ্বব্যাপী খাদ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর খাদ্য দিবসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ সবার খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করার কথা বললেও এখনও তা বাস্তবায়িত হয় নি। বিশ্বের প্রতিটি মানুষে খাদ্য অধিকার নিশ্চিত হোক, আমরা এ প্রত্যাশা করছি।

১৯৬৪ সালের এ দিনে চীন প্রথম পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালায়। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে চীন বিশ্বের পঞ্চম পরমাণু শক্তিধর দেশে পরিণত হয়। চীনের লোপনুর পরমাণু কেন্দ্রে পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা হয়। মাও সেতুং-র নির্দেশে ১৯৫০-র দশকে চীন পরমাণু অস্ত্র তৈরীর কাজে হাত দেয়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এক্ষেত্রে চীনকে সহায়তা দিয়েছে। চীনের নেতা মাও সেতুং মনে করতেন পরমাণু অস্ত্র ছাড়া চীন বিশ্বে শক্তিশালী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না।

মনিহারীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কাছে শওকত জং পরাজিত ও নিহত (১৭৫৬)
ফরাসি বিপ্লবের সময় রানী ম্যারি এন্তোনেতের শিরচ্ছেদ (১৭৯৩)
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপাটের হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন (১৮১৫)
বঙ্গভঙ্গ। পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠন (১৯০৫)
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম জন্মনিয়ন্ত্রক ক্লিনিক উদ্বোধন (১৯১৬)
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস। ৪০ হাজার লোক নিহত (১৯৪৩)
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান রাওয়ালপিÐিতে জনসভায় নিহত (ঝన(ঝ)
চীনে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ (১৯৬৪)
এক কোটি ৩৮ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগে সুইস তদন্তকারী কর্তৃক পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো ও তার পরিবার বর্গের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ (১৯৯৭)
লন্ডনে চিলির সাবেক স্বৈরশাসক অগুস্তো পিনোশ গ্রেফতার (১৯৯৮)

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন