ইতিহাসের এই দিনে

0
32
ইতিহাসের এই দিনে

আজ (মঙ্গলবার) ২০ অক্টোবর’২০২০

২৯০ বছর আগের এই দিনে জার্মানীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও দার্শনিক গটফ্রেড অখেনওয়াল জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের স্থপতি। গণিতবিদ্যা ছাড়াও দর্শনে তাঁর ছিল অগাধ পান্ডিত্য। দর্শন নিয়ে তিনি মূল্যবান কিছু লেখাও লিখে গেছেন। ১৭৭১ খ্রিষ্টাব্দে জার্মানীর এই মনীষী মৃত্যুবরণ করেন।

১৭৯৮ সালের ২০ অক্টোবরে কায়রোর মুসলিম জনতা দখলদার ফরাশিদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করেছিল। নেপোলিয়ন মিশর দখল করার ফলে সেদেশে ফরাশি সেনাদের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থানের একটা ক্ষেত্র তৈরী হয়েছিল। এইদিনে কায়রোর জনগণ শহরের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয়। কায়রোর সামরিক গভর্নর জেনারেল দেবভা তখন তার সেনাদেরকে ঐ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেয়। তার এই নির্দেশের ফলে নিরস্ত্র জনতা এবং সশস্ত্র ফরাশি সেনাদের মাঝে একরকম যুদ্ধ বেধে যায়। মজার ব্যাপার হলো মিশরের এই নিরস্ত্র জনতার হাতে স্বয়ং গভর্নর দেবভা’সহ বহু ফরাশি সেনা নিহত হয়। ফরাশিরা যখন তাদের সামনে মহাবিপদ দেখলো, তখন কায়রোর কেল্লায় তারা কামান স্থাপন করে এবং কায়রো শহর বিশেষ করে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে গোলা ছুঁড়তে শুরু করে। এই গণহত্যার ঘটনায় আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ অন্তত ৩ হাজার মানুষ শহীদ হয়। ফরাশি সেনারা শহীদদের লাশ নীলনদীতে ফেলে দেয়। এভাবে নৃশংসতম উপায়ে কায়রোর গণঅভ্যুত্থান দমন করা হয়েছিল ।

১৮২৭ সালের ২০ অক্টোবরে ভ‚মধ্যসাগরের উত্তরাঞ্চলীয় নভারুন নামক উপসাগরে সমুদ্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়। জায়গার নাম অনুসারে এই যুদ্ধ নভারন যুদ্ধ নামেই পরিচিতি পায়। এই যুদ্ধে বৃটেন,রাশিয়া এবং ফ্রান্সের যুদ্ধ জাহাজগুলো গ্রিসের সহযোগিতায় ভ‚মধ্যসাগরে অবস্থিত ওসমানী সা¤্রাজ্যের যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে তারা ওসমানী সা¤্রাজ্যের ৬০টি রণতরী ধ্বংস করে দেয় এবং ৬ হাজার অটোম্যান বা ওসমানী সেনাকে হত্যা করে। ওসমানীদের পতনের মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং অটোম্যান সা¤্রাজ্যের নৌ-সেনারা গ্রিসের পশ্চিমাঞ্চলীয় সমুদ্রে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ১৮২১ খ্রিষ্টাব্দে যখন গ্রিকরা ওসমানী সা¤্রাজ্য থেকে নিজেদের স্বাধীনতার জন্যে অভ্যুত্থান শুরু করেছিল,ইউরোপীয় দেশগুলো তখন গ্রিসের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল। অবশেষে ১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে আদ্রিয়ানোপল চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে গ্রিস স্বাধীনতা লাভ করে।

ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে সীমানা রেখা চুক্তি (১৮১৮)
ইতালিতে মুসোলিনের ক্ষমতা দখল (১৯২২)
ফিলিপাইনে মার্কিন বাহিনীর অবতরণ (১৯৪৪)
গুয়াতেমালায় একনায়কতন্ত্রের অবসান (১৯৪৪)
চীনের ভারত আক্রমণ (১৯৬২)
যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় পণ্য রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা (১৯৬৩)
ভারতের উত্তর প্রদেশে ভ‚মিকম্পে সহ¯্রাধিক প্রাণহানি (১৯৯১)
ভারতের অন্ধ প্রদেশে বন্যায় ২শ’ জনের মৃত্যু (১৯৯৬)

১৭৯৮ সালের ২০ অক্টোবরে কায়রোর মুসলিম জনতা দখলদার ফরাশিদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করেছিল। নেপোলিয়ন মিশর দখল করার ফলে সেদেশে ফরাশি সেনাদের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থানের একটা ক্ষেত্র তৈরী হয়েছিল। এইদিনে কায়রোর জনগণ শহরের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয়। কায়রোর সামরিক গভর্নর জেনারেল দেবভা তখন তার সেনাদেরকে ঐ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেয়। তার এই নির্দেশের ফলে নিরস্ত্র জনতা এবং সশস্ত্র ফরাশি সেনাদের মাঝে একরকম যুদ্ধ বেধে যায়। মজার ব্যাপার হলো মিশরের এই নিরস্ত্র জনতার হাতে স্বয়ং গভর্নর দেবভা’সহ বহু ফরাশি সেনা নিহত হয়। ফরাশিরা যখন তাদের সামনে মহাবিপদ দেখলো, তখন কায়রোর কেল্লায় তারা কামান স্থাপন করে এবং কায়রো শহর বিশেষ করে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে গোলা ছুঁড়তে শুরু করে। এই গণহত্যার ঘটনায় আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ অন্তত ৩ হাজার মানুষ শহীদ হয়। ফরাশি সেনারা শহীদদের লাশ নীলনদীতে ফেলে দেয়। এভাবে নৃশংসতম উপায়ে কায়রোর গণঅভ্যুত্থান দমন করা হয়েছিল ।

১৮২৭ সালের ২০ অক্টোবরে ভ‚মধ্যসাগরের উত্তরাঞ্চলীয় নভারুন নামক উপসাগরে সমুদ্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়। জায়গার নাম অনুসারে এই যুদ্ধ নভারন যুদ্ধ নামেই পরিচিতি পায়। এই যুদ্ধে বৃটেন,রাশিয়া এবং ফ্রান্সের যুদ্ধ জাহাজগুলো গ্রিসের সহযোগিতায় ভ‚মধ্যসাগরে অবস্থিত ওসমানী সা¤্রাজ্যের যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে তারা ওসমানী সা¤্রাজ্যের ৬০টি রণতরী ধ্বংস করে দেয় এবং ৬ হাজার অটোম্যান বা ওসমানী সেনাকে হত্যা করে। ওসমানীদের পতনের মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং অটোম্যান সা¤্রাজ্যের নৌ-সেনারা গ্রিসের পশ্চিমাঞ্চলীয় সমুদ্রে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ১৮২১ খ্রিষ্টাব্দে যখন গ্রিকরা ওসমানী সা¤্রাজ্য থেকে নিজেদের স্বাধীনতার জন্যে অভ্যুত্থান শুরু করেছিল,ইউরোপীয় দেশগুলো তখন গ্রিসের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল। অবশেষে ১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে আদ্রিয়ানোপল চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে গ্রিস স্বাধীনতা লাভ করে।

ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে সীমানা রেখা চুক্তি (১৮১৮)
ইতালিতে মুসোলিনের ক্ষমতা দখল (১৯২২)
ফিলিপাইনে মার্কিন বাহিনীর অবতরণ (১৯৪৪)
গুয়াতেমালায় একনায়কতন্ত্রের অবসান (১৯৪৪)
চীনের ভারত আক্রমণ (১৯৬২)
যুক্তরাষ্ট্রের কিউবায় পণ্য রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা (১৯৬৩)
ভারতের উত্তর প্রদেশে ভ‚মিকম্পে সহ¯্রাধিক প্রাণহানি (১৯৯১)
ভারতের অন্ধ প্রদেশে বন্যায় ২শ’ জনের মৃত্যু (১৯৯৬)

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন