ইতিহাসে প্রতিদিন (মঙ্গলবার) ১৭ নভেম্বর’২০২০

0
61
ইতিহাসে প্রতিদিন (মঙ্গলবার) ১৭ নভেম্বর’২০২০

(মওলানা ভাসানীর মৃত্যু)
আজ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুদিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গুরুত্বের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্যদিয়ে তাকে স্মরণ করে। মওলানা ভাসানী নামে পরিচিত আব্দুল হামিদ খান ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হাজী শরাফত আলী। তিনি ছিলেন কৃষক পরিবারের সন্তান। তাই কৃষক-শ্রমিকের কষ্ট দূর করার জন্য আজীবন লড়াই করেছেন। মজলুম জননেতা হিসেবে অধিক পরিচিত তিনি। দশ বছর বয়সে টাঙ্গাইলে মক্তবে পড়া শেষ করে ১৯০৭ সালে ইসলামিক শিক্ষা লাভের জন্য ভারতের দেওবন্দে যান। দেওবন্দে দুই বছর পড়াশোনা করে তিনি আসামে গিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৯ সালে খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারারুদ্ধ হন। মুক্তি পেয়ে শুরু করেন বিপ্লবী কার্যকলাপ এবং ১৯২৪ সালে আবার গ্রেফতার হন। কৃষক আন্দোলনকে সংগঠিত করাই ছিল তার প্রধান রাজনৈতিক কাজ। তিনি আসামে প্রবাসী বাঙালিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করতে গিয়ে ১৩ বার জেল খাটেন। ১৯২৯ সালে তিনি আসামের ধুবড়ী জেলার ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। ওই সম্মেলনে তিনি ভাসানী’ উপাধি পান। ১৯৪৪ সালে তিনি আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি পাকিস্তান আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৪৮ সালে মাওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলায় আগমন করেন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তিনি গঠন করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। ১৯৪৯ সালে ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেন এবং গ্রেফতার হন। অনশন ধর্মঘটের পর তিনি সালে ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেন এবং গ্রেফতার হন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সহযোগিতার জন্য গ্রেফতার হয়ে ১৬ মাস কারানির্যাতন ভোগ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি শেরেবাংলা ও সোহরাওয়াদীর

সঙ্গে যুক্তফ্রন্ট গঠনে উল্লেখযোগ্য ভ‚মিকা রাখেন। বিশ্বশান্তি সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে ১৯৫৪ সালে ইউরোপে যান। দেশে ফিরে সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৫৭ সালে গঠন করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপ। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেয়ায় তাকে গ্রেফতার করে প্রায় ৫ বছর অন্তরীণ রাখা হয়। ১৯৬২ সালে তিনি মুক্তি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালে গণচীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন ও জাপানে যান। ১৯৬৫ সালে ত্রিদেশীয় সম্মেলনে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি অন্যান্য নেতাদের সাথে ভারতে চলে যান। মুক্তিযুদ্ধে জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে অবাধ ও অসম বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। ১৯৭৪ সালে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে চোরাচালান রোধ ও দুনীতির বিরুদ্ধে অনশন ধর্মঘট করেন। ১৯৭৬ সালের ১৫ মে রাজশাহী থেকে মওলানা ভাসানী ফারাক্কা লংমার্চে নেতৃত্ব দেন। তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঁচবিবিতে নজরুল কলেজ স্থাপন করেন।

৪৩৯ সালের এই দিনে ইরানের প্রখ্যাত গণিতবিদ, জৌতির্বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও কবি ওমর খৈয়াম নিশাবুরি জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যের চেয়ে বিজ্ঞানে ওমর খৈয়ামের অবদান অনেক বেশি হওয়া সত্তে¡ও তিনি তার চতুষ্পদী কবিতার জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন। একাদশ এবং দ্বাদশ খ্রীষ্টাব্দে গণিত এবং জোতির্বিদ্যায় তার মতো পন্ডিত ব্যক্তি আর কেউ ছিল না। তার শ্রেষ্ঠ অবদান হলো ত্রিঘাত সমীকরণ সমস্যার সমাধান প্রদান। মস্কো ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট গবেষক প্রফেসর রৌজেন ফেল্ড দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, আধুনিক যুগে নিউটনের যে সূত্রটি দ্বিপদী উপপাদ্য হিসেবে বিখ্যাত, তা আসলে ওমর খৈয়ামেরই চিন্তার অনুসৃতি। ১১১৫ কিংবা মতান্তরে ১১২৩ খ্রীষ্টাব্দে ওমর খৈয়াম মৃত্যুবরণ করেন। তাকে নিশাবুর শহরের পাশেই সমাধিস্থ করা হয়।

১৯৭৬ সালের এ দিনে বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরলোকগমন করেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবেই পরিচিত। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ ভ‚মিকা রয়েছে। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৭৬-র ১৬ই মে তিনি ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।১৯২৬-এ আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সুত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন আয়োজন করেন। এখান থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

৪৩৯ সালের এই দিনে ইরানের প্রখ্যাত গণিতবিদ, জৌতির্বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও কবি ওমর খৈয়াম নিশাবুরি জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যের চেয়ে বিজ্ঞানে ওমর খৈয়ামের অবদান অনেক বেশি হওয়া সত্তে¡ও তিনি তার চতুষ্পদী কবিতার জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন। একাদশ এবং দ্বাদশ খ্রীষ্টাব্দে গণিত এবং জোতির্বিদ্যায় তার মতো পন্ডিত ব্যক্তি আর কেউ ছিল না। তার শ্রেষ্ঠ অবদান হলো ত্রিঘাত সমীকরণ সমস্যার সমাধান প্রদান। মস্কো ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট গবেষক প্রফেসর রৌজেন ফেল্ড দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, আধুনিক যুগে নিউটনের যে সূত্রটি দ্বিপদী উপপাদ্য হিসেবে বিখ্যাত, তা আসলে ওমর খৈয়ামেরই চিন্তার অনুসৃতি। ১১১৫ কিংবা মতান্তরে ১১২৩ খ্রীষ্টাব্দে ওমর খৈয়াম মৃত্যুবরণ করেন। তাকে নিশাবুর শহরের পাশেই সমাধিস্থ করা হয়।

১৯৭৬ সালের এ দিনে বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরলোকগমন করেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবেই পরিচিত। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ ভ‚মিকা রয়েছে। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৭৬-র ১৬ই মে তিনি ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।১৯২৬-এ আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সুত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন আয়োজন করেন। এখান থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

১৭৫০ সালের এই দিনে ফরাসী বিজ্ঞানী নিকোলাস এপার্ট জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি খাদ্যকে পাস্তুরাইজ করার পন্ধতি আবিস্কার করেন। এই পদ্ধতিতে তিনি খাদ্যকে জীবাণু মুক্ত করতে সক্ষম হন। তার এই আবিস্কারকে পচন রোধের ক্ষেত্রে বিপ্লব হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৮৪১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

১৩৯ বছর আগে ১৮৯৬ সালের এই দিনে ভুমধ্য সাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সুয়েজ খালের উদ্বোধন করা হয়। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে পণ্য পরিবহনে সুয়েজ খাল জলপথ হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।এই খাল না থাকলে ইউরোপ থেকে পণ্য এশিয়ায় আনতে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে আসতে হতো। খালটি উন্মুক্ত হবার পূর্বে, কখনো কখনো পন্য জাহাজ থেকে নামিয়ে মিশরের স্থলপথ অতিক্রম করে, ভ‚মধ্যসাগর হতে লোহিত সাগরে এবং লোহিত সাগর হতে ভ‚মধ্যসাগরে অপেক্ষমান জাহাজে পারাপার করা হত। সুয়েজ খালের দৈঘ্য প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার।

১৮৭০ সালের এই দিনে ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের পর ঐক্যবন্ধ জার্মানি সা¤্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। লৌহ চ্যান্সেলর নামে খ্যাত বিসমার্ক ঐক্যবদ্ধ জার্মানি সাম্যাজ্য প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভ‚মিকা রাখেন। ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বে পরাজয়ের পর জার্মানি সা¤্রাজ্যের পতন ঘটে এবং প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১৩ সালের এই দিন মিশরের রাজধানী কারয়োয় গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মিত্র শক্তির ঐ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রেসিডেন্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন। ঐ সম্মেলনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়,এর মধ্যে কোরিয়ার স্বাধীনতা অন্যতম।

১৯৮২ সালের এদিন ইরাকের সাদ্দাম বিরোধী ইসলামী দল ও সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ গঠিত হয়। সাদ্দামের জুলুম-নিয্যাতনের হাত থেকে ইরাকিদের মুক্ত করে গণ ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই ছিল এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই সংগঠনটি সাদ্দামের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সোচ্চার ছিল এ সংগঠনটি। ২০০৩ সালে সাদ্দাম সরকারের পতনের পর থেকে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ দেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে আসছে। ২০০৩ সালে সংগঠনটির নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোহাম্মদ বাকের হাকিম নাজাফ শহরে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে শাহাদাতবরণ করলেও সংগঠনটির সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। পরবর্তীতে সংগঠনটির নাম থেকে বিপ্লবী শব্দ বাদ দিয়ে ইসলামী উচ্চ পরিষদ নামকরণ করা হয়।

১৩৭৩ সালের এদিনে বিশিষ্ট আলেম ও সাহিত্যিক আয়াতুল্লাহ শেখ মোহাম্মদ হোসেন কাশেফ আল গ¦াতা পরলোকগমন করেন। তিনি তৎকালীন যুগের সেরা শিক্ষকদের কাছে ফিকাহ শাস্ত্র সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করেছেন। দর্শন, যুক্তিবিদ্যা ও হাদিস সম্পর্কেও তিনি গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। কবিতা পাঠেও তিনি বেশ পারঙ্গম ছিলেন। তার লেখা কবিতা এখনও সবাইকে প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি সর্বদা সরব ছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তার উল্লেখযোগ্য ভ‚মিকা রয়েছে। তার লেখা ৮০ টি বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি বই হলো, আল ফেরদৌস আল আলা এবং আল সিয়াসাত আল হোসাইনিয়া।

১৯৩৩ সালের ১৭ই নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েট ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দেয়। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আর সোভিয়েট ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম লিটভিনোভ ব্যাপক বৈঠকের পর দু’দেশের সম্পর্ক উন্নত হয়।

জন বালিওলের স্কটল্যান্ডের সিংহাসন আরোহন (১২৯২)
ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ও স্পেনের প্রতিরক্ষা জোট গঠন (১৫১১)
মোগল স¤্রাট বাবরের ভারত বিজয় (১৫২৫)
ম্যারি প্রথমের মৃত্যুর পর প্রথম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের রানী ঘোষিত (১৫৫৮)
ওয়াশিংটনে নির্মাণাধীন ক্যাপিটল ভবনের অর্ধসমাপ্ত স্থানে মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত (১৮০০)
জেনারেল জামাল আবদেল নাসের মিশরের রাষ্ট্রপ্রধান নিযুক্ত (১৯৫৪)
ইরাকে সেনা বিদ্রোহ দমন। আবদেল সালাম আরিফের নেতৃত্বে নতুন বিপ্লবী সরকার গঠিত (১৯৬৩)
মহাশূন্য যান-১৭ এর চাঁদে অবতরণ (১৯৭০)
থাইল্যান্ডে ভেমিজ থানন কিতিকার্চোনের ক্ষমতা দখল। পালামেন্ট ও মন্ত্রিসভা বরখাস্ত, সংবিধান স্থগিত (১৯৭১)
পাকিস্তানের নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টির জয়লাভ (১৯৮৮)
বর্ণবাদ প্রথার অবসান ঘটাতে দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন সংবিধান অনুমোদন (১৯৯৩)
লিয়ামিন জেরোয়াল আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত (১৯৯৫)
ইউনেস্কো ২১ ফেব্রæয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় (১৯৯৯)

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন