মহাসাগরের জ্বলন্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কের আগুন এখনও নেভানো যায়নি

0
40
মহাসাগরের জ্বলন্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কের আগুন এখনও নেভানো যায়নি

আপডেট » ০৬ ≈ সেপ্টেম্বর ≈ ২০২০
গৃহকোণ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ শ্রীলঙ্কা সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের জ¦লন্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কারটির আগুন এখনও নেভানো যায়নি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা-ভারত দুই দেশই আগুন নেভাতে জোরালো তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনও ট্যাঙ্কার অক্ষত রয়েছে, তবে এটি ফেটে তেল বের হওয়া শুরু হলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে কুয়েত থেকে রওনা হয়েছিল নিউ ডায়মন্ড ট্যাঙ্কার। ভারতের পারাদ্বীপে যাচ্ছিল জাহাজটি। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা বন্দরের কাছে হঠাৎই এতে আগুন লেগে যায়। জাহাজের ২৩ কর্মীর মধ্যে ১৮ জন ফিলিপিনো এবং ৫ জন গ্রিক। আগুন লাগার পর তা নেভাতে গিয়ে দুইজন কর্মী আহত হন বলে জানা গেছে। তার মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ। পানামার ফ্ল্যাগ লাগানো একটি জাহাজ প্রাথমিকভাবে বাকিদের উদ্ধার করে। এরপরেই শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর ছোট ছোট নৌকা জাহাজের কাছে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে সে অভিযানে যোগ দেয় জাহাজ ও বিমান। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো জাহাজ ও বিমানযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। এখনও কোনও ট্যাঙ্কার থেকে তেল লিক করেনি। তবে যে কোনও সময় ট্যাঙ্কার ফুটো হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলেছেন, সে ধরনের কিছু ঘটলে শ্রীলঙ্কার উপক‚লীয় এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুক্রবার শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাভেন্দ্র সিলভা জানান, প্রায় ২ কোটি ব্যারেল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারটি উপক‚ল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে ট্যাঙ্কারটিতে আগুন জ¦লছে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন ইন্ডিকা ডি সিলভা জানান, নৌকাটিতে ২৩ জন নাবিক ছিলেন। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া এক নাবিককে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ডি সিলভা বলেন, ‘নিখোঁজ ফিলিপিনো নাবিক মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। একটি বয়লার বিস্ফোরণের পর তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। ট্যাঙ্কারটির নাবিকদের পাঁচজন গ্রিক ও ১৮ জন ফিলিপাইনের নাগরিক।’ শ্রীলঙ্কার ডিরেক্টর জেনারেল অব অপারেশন্স রিযাল অ্যাডমিরাল ওয়াই এন জয়ারতœ সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজের মূল ভাগের আগুন নেভানো হয়ে গেছে, সুতরাং তেল উপচে পড়ার ঝুঁকি নেই। কারণ এখন আর সেখানে জ¦লন্ত শিখা নেই, শুধু সাদা ধোঁয়া বের হচ্ছে। পুরোপুরিভাবে আগুন নিভতে ৪-৫ দিন সময় লাগতে পারে। তবে শ্রীলঙ্কার মেরিন এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন অথরিটির প্রধান দর্শনি লাহান্দাপুর সতর্ক করে বলেছেন, যদি কোনও লিক বা বিস্ফোরণ হয়, তাহলে গোটা বিশ্বের পরিবেশই বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এ ধরনের বিপর্যয় মোকাবিলা করার মতো প্রাযুক্তিক সক্ষমতা শ্রীলঙ্কার নেই। ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইতোমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছে। আরও দুইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে। তেল লিক হলে ভারতীয় নৌবাহিনী তার মোকাবিলা করবে বলে জানা গিয়েছে। কিছু দিন আগেই মরিশাসের কাছে কোরাল রিফে তেলের ট্যাঙ্কার ফুটো হয়ে গিয়েছিল জাপানের একটি জাহাজের। কয়েক হাজার টন তেল জলে মিশে যায়। যার ফলে সমুদ্রের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়েছে জলজ উদ্ভিদ এবং প্রাণী। সে সময় বহু পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা অভিযোগ করেছিল, জাহাজগুলিকে ঠিক ভাবে সংস্কার না করেই জলে নামিয়ে দেওয়া হয়। সে কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। আর দুর্ঘটনা ঘটলেও জাহাজ কোম্পানির কিছু এসে যায় না। বীমা সংস্থা থেকে তারা ক্ষতিপূরণ পেয়ে যায়। শ্রীলঙ্কা সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের জ¦লন্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কারটির আগুন এখনও নেভানো যায়নি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা-ভারত দুই দেশই আগুন নেভাতে জোরালো তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনও ট্যাঙ্কার অক্ষত রয়েছে, তবে এটি ফেটে তেল বের হওয়া শুরু হলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে কুয়েত থেকে রওনা হয়েছিল নিউ ডায়মন্ড ট্যাঙ্কার। ভারতের পারাদ্বীপে যাচ্ছিল জাহাজটি। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা বন্দরের কাছে হঠাৎই এতে আগুন লেগে যায়। জাহাজের ২৩ কর্মীর মধ্যে ১৮ জন ফিলিপিনো এবং ৫ জন গ্রিক। আগুন লাগার পর তা নেভাতে গিয়ে দুইজন কর্মী আহত হন বলে জানা গেছে। তার মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ। পানামার ফ্ল্যাগ লাগানো একটি জাহাজ প্রাথমিকভাবে বাকীদের উদ্ধার করে। এরপরেই শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর ছোট ছোট নৌকা জাহাজের কাছে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে সে অভিযানে যোগ দেয় জাহাজ ও বিমান। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের মতো জাহাজ ও বিমানযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। এখনও কোনও ট্যাঙ্কার থেকে তেল লিক করেনি। তবে যে কোনও সময় ট্যাঙ্কার ফুটো হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলেছেন, সে ধরনের কিছু ঘটলে শ্রীলঙ্কার উপক‚লীয় এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুক্রবার শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাভেন্দ্র সিলভা জানান, প্রায় ২ কোটি ব্যারেল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারটি উপক‚ল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে ট্যাঙ্কারটিতে আগুন জ¦লছে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন ইন্ডিকা ডি সিলভা জানান, নৌকাটিতে ২৩ জন নাবিক ছিলেন। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া এক নাবিককে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ডি সিলভা বলেন, ‘নিখোঁজ ফিলিপিনো নাবিক মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। একটি বয়লার বিস্ফোরণের পর তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। ট্যাঙ্কারটির নাবিকদের পাঁচজন গ্রিক ও ১৮ জন ফিলিপাইনের নাগরিক।’ শ্রীলঙ্কার ডিরেক্টর জেনারেল অব অপারেশন্স রিযাল অ্যাডমিরাল ওয়াই এন জয়ারতœ সাংবাদিকদের বলেন, জাহাজের মূল ভাগের আগুন নেভানো হয়ে গেছে, সুতরাং তেল উপচে পড়ার ঝুঁকি নেই। কারণ এখন আর সেখানে জ¦লন্ত শিখা নেই, শুধু সাদা ধোঁয়া বের হচ্ছে। পুরোপুরিভাবে আগুন নিভতে ৪-৫ দিন সময় লাগতে পারে। তবে শ্রীলঙ্কার মেরিন এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন অথরিটির প্রধান দর্শনি লাহান্দাপুর সতর্ক করে বলেছেন, যদি কোনও লিক বা বিস্ফোরণ হয়, তাহলে গোটা বিশ্বের পরিবেশই বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এ ধরনের বিপর্যয় মোকাবিলা করার মতো প্রাযুক্তিক সক্ষমতা শ্রীলঙ্কার নেই। ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইতোমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছে। আরও দুইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে। তেল লিক হলে ভারতীয় নৌবাহিনী তার মোকাবিলা করবে বলে জানা গিয়েছে। কিছু দিন আগেই মরিশাসের কাছে কোরাল রিফে তেলের ট্যাঙ্কার ফুটো হয়ে গিয়েছিল জাপানের একটি জাহাজের। কয়েক হাজার টন তেল জলে মিশে যায়। যার ফলে সমুদ্রের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়েছে জলজ উদ্ভিদ এবং প্রাণী। সে সময় বহু পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা অভিযোগ করেছিল, জাহাজগুলিকে ঠিক ভাবে সংস্কার না করেই জলে নামিয়ে দেওয়া হয়। সে কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। আর দুর্ঘটনা ঘটলেও জাহাজ কোম্পানির কিছু এসে যায় না। বীমা সংস্থা থেকে তারা ক্ষতিপূরণ পেয়ে যায়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন