হংকং ও জিনজিয়াং-এর উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে চীনা নীতি নিয়ে অটোয়া উদ্বিগ্ন

0
55
হংকং ও জিনজিয়াং-এর উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে চীনা নীতি নিয়ে অটোয়া উদ্বিগ্ন

আপডেট »১৫≈ অক্টোবর ≈ ২০২০
গৃহকোণ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের হংকং-উইঘুর নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেছেন, হংকংয়ে চীনা দমন নীতি এবং উইঘুর মুসলিমদের আটকে রাখার পাল্টা প্রতিক্রিয়া রয়েছে। মঙ্গলবার চীন-কানাডা ক‚টনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে এমন মন্তব্য করেন তিনি। বেইজিং-এর জবরদস্তিমূলক ক‚টনীতিরও সমালোচনা করেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রুডো বলেন, চীনের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে কানাডার উদ্বেগ রয়েছে। হংকং ও জিনজিয়াং-এর উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে চীনা নীতি নিয়ে অটোয়া উদ্বিগ্ন। জাস্টিন ট্রুডো বলেন, চীনের যে জবরদস্তিমূলক ক‚টনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সে বিষয়ে আমরা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি দুই কানাডিয়ান নাগরিককে নির্বিচারে আটকে রাখা তাদের কোনও সফল কৌশল নয়। এসব বিষয়ে কানাডা মিত্রদের সঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, বেইজিং-এর দৃষ্টিভঙ্গি তার নিজের কিংবা আন্তর্জাতিক স¤প্রদায় কারও জন্যই ইতিবাচক নয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কানাডার সঙ্গে চীনের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। ওই বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে-র সিএফও মেং ওয়ানজৌ-কে গ্রেফতার করে অটোয়া। পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, হুয়াওয়ে তার ব্যবহারকারীদের তথ্য চীনের কমিউনিস্ট পার্টির হাতে তুলে দেয়। মেং ওয়ানজৌ-এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি কানাডায় গ্রেফতার হওয়ার পর চীনে অবস্থানরত দুই কানাডীয় নাগরিককে গ্রেফতার করে বেইজিং। তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে গত আগস্টে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করে চীনা আদালত। এ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন